Monday , August 20 2018
Home / খেলাধুলা / অনুশীলনে টয়লেট বিড়ম্বনায় টাইগাররা!

অনুশীলনে টয়লেট বিড়ম্বনায় টাইগাররা!

সাধারনত তিন জাতি টুর্নামেন্ট মানেই রাউন্ড রবিন লিগ শেষে ফাইনাল; কিন্তু আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক আইরিশদের নিয়ে যে তিন জাতি আসর বসেছে, সেখানে ফাইনাল নেই।

কাজেই রাউন্ড রবিন লিগের ফিরতি পর্ব শেষে চার খেলায় যে দল বেশি জিতবে তাকেই ধরা হবে শিরোপাজয়ী। সে আলোকে এক ম্যাচ আগেই এ আসরের চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড।

বø্যাক ক্যাপ্সরা এরই মধ্যে তিন খেলার সব কটায় জিতে অঘোষিত বিজয়ী। তবে তিন জাতি টুর্নামেন্ট জিততে না পারলেও বাংলাদেশের সামনে এখনো নৈতিক বিজয়ের সুযোগ আছে। আগামী পরশু , ২৪ মে শেষ ম্যাচে কিউইদের হারাতে পারলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়-পরাজয় সমান হয়ে যাবে মাশরাফি বাহিনীর।

আর তা করতে পারলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে শুধু মনোবলই চাঙ্গা হবে না, কিউইদেরকে বিদেশের মাটিতে হারানোর স্বপ্নও হবে পূরণ হবে।

ইতিহাস সাক্ষী দিচ্ছে, ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারানোর আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে এই নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে হই চই ফেলে দিয়েছিল হাবিবুল বাশারের দল।

কিউইদের বিপক্ষে ওয়ার্মআপ ম্যাচে টাইগারদের দারুণ জয়ের পর ভারতের বিখ্যাত আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছিল, ‘গা গরমের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের বাজার গরম করলো বাংলাদেশ।’

এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে অবশ্য পাকিস্তান ও ভারতের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে দেখা হবে বাংলাদেশের। ২৭মে পাকিস্তান আর ৩০মে ভারতের সাথে হবে গা গরমের ম্যাচ। তার আগে বুধবার আয়ারল্যান্ডে তিনজাতি আসরের শেষ ম্যাচ। নিজেদের ঝালিয়ে নিতে মুখিয়ে আছে মাশরাফির দল।

সে লক্ষ্যে আজ মালাহাইদে তিন ঘণ্টার দীর্ঘ ও নিবিঢ় অনুশীলন করে টাইগাররা। স্থানীয় সময় সকাল দশটায় শুরু হয়েছে প্র্যাকটিস। চলেছে দুপুর একটা পর্যন্ত। ডাবলিনের শহরতলী থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে এই মাঠেই গত ১৯ মে আয়ারল্যান্ডের সাথে ফিরতি পর্বের ম্যাচ অনায়াসে ৮ উইকেটে জিতেছে মাশরাফির দল। ২৪ মে কিউইদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি হবে ডাবলিনের ক্লনটার্ফে।

তার আগে আজ ডাবলিনের অদুরে মালাহাইডে প্র্যাকটিস করতে গিয়ে খানিক বিড়ম্বনার শিকার ক্রিকেটাররা। টিভিতে খেলা দেখে নিশ্চয়ই বুঝেছেন মালাহাইড ক্লাব মাঠ বাংলাদেশের শেরেবাংলা, ফতুল্লা, চট্রগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী কিংবা খুলনারর শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের মত পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট কমপ্লেক্স নয়।

মুলতঃ ক্লাবের ক্রিকেট মাঠ। এখানে অঅন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সময় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আনুসাঙ্গিক সুযোগ সুবিধাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করা হয়।

ড্রেসিং রুম, প্রেস বক্স- সবই অস্থায়ীভাবে নির্মিত। যেহেতু এ মাঠে খেলা শেষ। তাই বিভিন্ন অস্থায়ী অবকাঠামোগুলোও খুলে ফেলা হয়েছে। বাংলাদেশের ড্রেসিং রুমের সাথে যে অস্থায়ী টয়লেট স্থাপন করা হয়েছিল, তার বেশির ভাগই নেই।

তাই প্র্যাকটিসে এসে টয়লেট ও গোসল সারতে রীতিমত সমস্যাই হয়েছে ক্রিকেটারদের। দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*