Thursday , October 18 2018
Home / খেলাধুলা / জয় দিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশের অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ মিশন

জয় দিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশের অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ মিশন

বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল

বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল

টার্গেট ছিল ২৪১ রান, ওভারপ্রতি প্রয়োজন ছিলো ৪.৮২ রান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলো না দক্ষিণ আফ্রিকা অনুর্ধ্ব-১৯ দল। বাংলাদেশি যুবাদের বোলিং নৈপুণ্যে খেই হারিয়ে ৪৩ রানে হারলো তারা।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় স্কোর ৩০ রান হতেই প্রথম ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ অ-১৯ দল। ৩১ বলে ৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেন সাইফ হাসান। এরপর আরেক ওপেনার পিনাক ঘোষ ৫১ বলে ৪৩ এবং জয়রাজ শেখ ৫০ বলে ৪৬ করে আউট হলে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ১০৩ রানে ৩ উইকেট। অবশেষে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান করলে ২৪১ টার্গেট দাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকান যুবাদের সামনে। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা অনুর্ধ্ব-১৯ দল ১৯৭ রানে অলআউট হওয়ায় জয় দিয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ মিশন শুরু হলো জুনিয়র টাইগারদের। দক্ষিণ আফ্রিকা অ-১৯ দলের পক্ষে ৩ উইকেট নিয়েছেন উইয়ান মুল্ডার। এছাড়াও ১টি করে উইকেট নিয়েছেন লুথো সিপাম্লা, শন ওয়াইটহেড ও টনি দ্য জর্জি। অপরদিকে ৬০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা যুবদলের লিয়ান স্মিথের সেঞ্চুরি বাদে মাত্র তিনজন দুই অঙ্ক স্পর্শ করেছে। স্মিথের ১৪৬ বলে ১০০ রানের ইনিংসটিতে ছিলো ন’টি চার ও একটি ছক্কার মার। সেঞ্চুরি করে বোধ করি আত্মতুষ্টিতেই ভুগছিলেন স্মিথ। তাই সেঞ্চুরির রেশ কাটতে না কাটতেই শাওনের বল তুলে মারতে গিয়ে মেহেদী’র তালুবন্দী হন তিনি। ৭ ওভারে ৩০ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ শফিউদ্দিন, ১০ ওভারে যথাক্রমে ৩৯ রান ও ৩৭ রান দিয়ে দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন সাঈদ সরকার এবং সালেহ আহমেদ শাওন। আব্দুল হালিম ও সঞ্জিত সাহা উইকেটশুন্য থাকলেও রিকোয়ার্ড রানরেটের উপরে যায়নি কারো বোলিং ইকোনমি।

অধিনায়ক হিসেবে মিরাজের পারফর্ম্যান্স যতটা উল্লেখযোগ্য ছিল ততটা স্বতস্ফুর্ত ছিলেন না টনি দ্য জর্জি । বল হাতে ১ উইকেট ও ব্যাট হাতে ২২বলে মাত্র ৮ রান করেন টনি। অপরদিকে ৩৮ বলে ২৩ রান করা মিরাজ বল হাতেও দেখিয়েছেন সমান নৈপুণ্য। ৯.৪ ওভারে মাত্র ৩৭ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ৩ উইকেট। এছাড়াও বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৯ রানের পার্টনারশিপও গড়েছেন তিনি আর সহকারী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৮২ বলে ৭৩ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলায় আজকের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গিয়েছে নাজমুলের হাতে।

ভেন্যু হিসেবে সিনিয়র দলের জন্য পয়মন্ত চট্টগ্রামে আজ সৌভাগ্যকে বরণ করে নিলো যুবা’রাও। বাংলাদেশের পরবর্তী দুই গ্রুপ ম্যাচ অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়ার বিপক্ষে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে যেতে হলে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না তাদেরও। অবশ্য আজকের ফলাফলের পর আশা করাই যায়, কক্সবাজারে হতাশ করবে না মেহেদী, নাজমুল, পিনাক’রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*