Friday , August 17 2018
Home / আন্তর্জাতিক / প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি: ৯ আসামির জামিন মঞ্জুর

প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি: ৯ আসামির জামিন মঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৯ আসামির জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুব্রত ঘোষ শুভ এ আদেশ দেন।

বিমান বন্দর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনিরুজ্জামান মন্ডল, অতিরিক্ত উপ-পরিদর্শক রতন লাল দে ও মুন্সি আলতাফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন, প্রকৌশল কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান, সামীউল হক, লুৎফর রহমান, মিলন চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (প্রোডাকশন) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) এসএম সিদ্দিক, প্রধান প্রকৌশলী (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড সিস্টেম কন্ট্রোল) বিল্লাল হোসেন ও মেকানিক শাহ আলম।

আসামি নাজমুল হক আগে থেকেই জামিনে আছেন। অপর আসামি সিদ্দিকুর রহমানের পক্ষে কোনো জামিনের আবেদন করা হয়নি। তার জামিনের আবেদন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে শুনানির অপেক্ষায় আছে।

কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিদের অব্যাহতি প্রদানের আবেদন চূড়ান্ত করে গত ৬ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিসিটি) ইউনিটের সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে নিয়োজিত উড়োজাহাজটির ওয়েল প্রেসার সেনসার পরিবর্তনের কাজটি করেন সিদ্দিকুর রহমান এবং সহযোগিতা করেন মেকানিক শাহ আলম। ওই সময় ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হক পরীক্ষার (লিক চেক) জন্য তিনবার ভিতরে (কউল) প্রবেশ করেন।

তবে তিনি তদন্ত কমিটির কাছে একবার ভিতরে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন আর দুইবার অস্বীকার করেন। ফলে নাজমুল হকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। তবে তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণ এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদনের আলোকে ঘটনায় নাশকতা, আত্মঘাতী ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) ধারা ও দণ্ডবিধির ১১৮ ও ১২০(খ) ধারা থেকে সকল আসামিকে অব্যাহতির আবেদন করেন। তবে দণ্ডবিধির ২৮৭ ধারায় তিন আসামি সিদ্দিকুল রহমান, নাজমুল হক ও শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিলের আবেদন করেন।

২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ‘রাঙা প্রভাতে’ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। তখন তা তুর্কমেনিস্তানের আশখাবাদে জরুরি অবতরণ করে।
সেখানে ত্রুটি সারিয়ে চার ঘণ্টা পর বুদাপেস্টের উদ্দেশে রওনা হয় প্লেনটি। ওই প্লেনের ইঞ্জিন অয়েলের ট্যাংকের একটি নাট ঢিলা হওয়ার পেছনে নাশকতা ছিল কি-না, তা তদন্তে গত ২৮ নভেম্বর পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

ঘটনা তদন্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আরও দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এসব কমিটির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*