Thursday , October 18 2018
Home / বাংলাদেশ / রংপুর বিভাগ / রংপুর ডিসি অফিস থেকে ৪০০ ভূয়া অস্ত্রের লাইসেন্স,৩১৩ টি অস্ত্র ২৫ ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স জব্দ,শীঘ্রই চার্জশিট

রংপুর ডিসি অফিস থেকে ৪০০ ভূয়া অস্ত্রের লাইসেন্স,৩১৩ টি অস্ত্র ২৫ ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স জব্দ,শীঘ্রই চার্জশিট

শাহরিয়ার মিম,রংপুর:
রংপুর ডিসি অফিসের জিএম শাখা থেকে ডিসির সই জাল করে ও ভূয়া পুলিশ ভেরিফিকেশন দিয়ে ব্যাকডেটে ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে চারশ ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের ঘটনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩১৩ টি অস্ত্র ২৬৫ টি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স এবং বিভিন্ন ধরনের গুলি জব্দ করেছে।

এরমধ্যে গতকাল মঙ্গলবার জব্দ বরা হয়েছে ৪৫ টি অস্ত্র। মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান দুর্নীতি দমন কমিশন রংপুর  সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে তলব করে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ৩১৩ টি অস্ত্র ২৬৫ টি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স এবং বিভিন্ন ধরনের গুলি রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ বেশী বন্দুক শর্টগান, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কেনা হয়েছে। দেশের ১২টি অস্ত্র বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইসব ভুয়া লাইসেন্সের মাধ্যমে অস্ত্র বিক্রি করেছে। অস্ত্র গুলো নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দেখা দেয়ায় অস্ত্র উদ্ধারে নামে দুদক মঙ্গলবার বিভিন্ন ধরনের ৪৫টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

বাকী অস্ত্র জব্দ করার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, ৪/৫ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে অস্ত্র কেনার কথা স্বীকার করেছে ভুক্তভোগীরা। খুব শীঘ্রই এই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত গত ৫ জুলাই রাতে ঘটনা প্রকাশের ৫৯ দিন পর রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে র্যাব-১৩ একটি দল র্যাব-২ ও র্যাবের প্রধান শাখার গোয়েন্দাদের সহযোগিতায় রংপুর ডিসি অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সামসুল ইসলামকে (৪৮) গ্রেফতার করে। সামসুল ইসলাম রংপুর মহানগরীর খোর্দতামপাট নগরমীরগঞ্জ এলাকার সফিল উদ্দিনের পুত্র।

তার বিরুদ্ধে রংপুর ডিসি অফিস থেকে ব্যাকডেটে সই জাল করে দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের নামে ভূয়া অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়ার অভিযোগে করা ডিসি অফিসের মামলাটি তদন্ত করছিল দুদক। এছাড়াও র্যাবও ছায়া তদন্ত করছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে ৭ জুলাই ৫ দিনের রিমান্ডে এবং ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেয় দুদক। ১৩ জুলাই রংপুর কোতয়ালী থানায় তার নামে অস্ত্র আইনে মামলা করেন এসআই মামুন। এরপর তিনি ১৪ জুলাই আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। এছাড়াও রিমান্ডে তিনি এই চাঞ্চল্যকর ভূয়া অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*