Thursday , October 18 2018
Home / বাংলাদেশ / রাজশাহী বিভাগ / রাজশাহীর উন্নয়নের স্বার্থে দল মত নির্বিশেষে লিটনের পক্ষে প্রচারণায়

রাজশাহীর উন্নয়নের স্বার্থে দল মত নির্বিশেষে লিটনের পক্ষে প্রচারণায়

বার্তা ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে প্রচারণা শুরুর পরপরই আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ১৪ দফার ইশতেহার ঘোষণা করে ভোটের মাঠে নামায় প্রথম থেকেই গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

২০০৮ সালে মেয়র নির্বাচিত হয়ে রাজশাহী শহরের জন্য অভাবনীয় উন্নয়ন করেছেন। এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মাত্র সাড়ে চার বছর সময়ে তিনি রাজশাহী মহানগরীকে পরিণত করেছিলেন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে, সুসজ্জিত ফুলের বাগানের মত। রাজশাহীকে তিনি বিশ্বে পরিচিত করিয়েছিলেন গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি, শিক্ষা নগরী, বসবাসের জন্য সেরা নগরী হিসাবে।
রাজশাহীবাসীর বহুল প্রতিক্ষিত পাইপ লাইনে বাসা বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ, নগরী জুড়ে পরিচ্ছন্ন সড়ক ও ফুটপাত, রাজশাহী-ঢাকা বিমান সার্ভিস পুনরায় চালু, উপ-শহর ও পদ্মা আবাসিকের উন্নয়ন, আধুনিক রাজশাহী সড়কে ডেকোরেটেড লাইট, জিরোপয়েন্ট থেকে রেলগেট সড়ক নির্মাণ, ধুমকেতু ট্রেন চালু, ২ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মিয়াপাড়া ধর্মসভা কমপ্লেক্সের কাজ শুরু, প্রায় ৩০০ মসজিদ, মন্দির, গোরস্থান ও শ্মশান সংস্কার-সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন করেছেন লিটন।
৩০ জুলাই রাসিক নির্বাচন উপলক্ষ্যে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। ইশতেহারে ১৪টি দফায় ৮২টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ইশতেহারের ১৪ দফার প্রথমেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থানকে। রাজশাহীকে একটি আধুনিক শিল্প নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান লিটন।
অপরদিকে বিএনপি-র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইশতেহার দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার নির্বাচনী ইশতেহারে রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য কোন প্রতিশ্রুতির কথা প্রকাশ পাচ্ছে না। তার নির্বাচনী ইশতেহারে রাজশাহীর উন্নয়নের চাইতে বিএনপির আন্দোলনের কথাই বেশি ফুটে উঠেছে। ২০১৩ সালে নির্বাচিত হয়ে রাজশাহীর কোন উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেনি। লিটনের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাও ধরে রাখতে পারেননি।
ফলশ্রুতিতে রাজশাহীর উন্নয়নের স্বার্থে দল মত নির্বিশেষে লিটনের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। নগরবাসীর মতে লিটন মেয়র হলে রাজশাহীর উন্নয়ন হবে। সুশীল সমাজ সহ বিএনপি নেতারাও বিশ্বাস করেন লিটন রাজশাহীর জন্য কাজ করবে এবং এজন্য তারা লিটনের পক্ষ হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*