Sunday , July 22 2018
Home / বাংলাদেশ / ‘১০ বেসরকারি মেডিকেলের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়’

‘১০ বেসরকারি মেডিকেলের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়’

ভর্তি পরীক্ষার নম্বরের শর্ত পূরণ না হওয়ার পরও ১৫৩ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করায় দশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং কেন তাদের জরিমানা করা হবে না- তা জানতে চেয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এসব বেসরকারি মেডিকেল কলেজের চেয়ারভর্তি পরীক্ষার নম্বরের শর্ত পূরণ না হওয়ার পরও ১৫৩ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করায় দশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং কেন তাদের জরিমানা করা হবে না- তা জানতে চেয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এসব বেসরকারি মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ও অধ্যক্ষকে ২১ অগাস্টের মধ্যে এর ব্যাখ্যা দিতে বলেছে আপিল বিভাগ।

ওই ১৫৩ শিক্ষার্থীকে প্রথম পর্বের পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র দেয়ার আদেশও আদালত স্থগিত করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লিভ টু আপিলের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- শমরিতা মেডিকেল কলেজ, সিটি মেডিকেল কলেজ, নাইটিঙ্গেল মেডিকেল কলেজ, জয়নুল হক শিকদার মেডিকেল কলেজ, এ আর মেডিকেল কলেজ, ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ, তাইরুন নেছা মেডিকেল কলেজ, আইচি মেডিকেল কলেজ, কেয়ার মেডিকেল কলেজ ও আশিয়ান মেডিকেল কলেজ।

২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় ২০০ এর মধ্যে ১২০ নম্বর পাওয়া ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তি করা যাবে এবং ছাত্র/ছাত্রীদের লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বর পেতে হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও একই সিদ্ধান্ত দিয়েছিল।

তবে ওই শর্ত পূরণ না হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়া ১৫৩ শিক্ষার্থীর প্রথম পর্বের (ফার্স্ট প্রফেশনাল এক্সামিনেশেন) রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র আটকে দেয়।

এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ১৫৩ জন হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। ওই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ১৩ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুলসহ অন্তবর্তীকালীন আদেশ দেয়।

হাইকোর্ট রিট আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র দিতে বলে। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লিভ টু আপিল করে, যা বুধবার শুনানির জন্য ওঠে।

আদালতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও এ এফ এম মেসবাহ উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাসুদ রেজা সোবহান ও আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন।ম্যান ও অধ্যক্ষকে ২১ অগাস্টের মধ্যে এর ব্যাখ্যা দিতে বলেছে আপিল বিভাগ।

ওই ১৫৩ শিক্ষার্থীকে প্রথম পর্বের পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র দেয়ার আদেশও আদালত স্থগিত করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লিভ টু আপিলের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- শমরিতা মেডিকেল কলেজ, সিটি মেডিকেল কলেজ, নাইটিঙ্গেল মেডিকেল কলেজ, জয়নুল হক শিকদার মেডিকেল কলেজ, এ আর মেডিকেল কলেজ, ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ, তাইরুন নেছা মেডিকেল কলেজ, আইচি মেডিকেল কলেজ, কেয়ার মেডিকেল কলেজ ও আশিয়ান মেডিকেল কলেজ।
২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় ২০০ এর মধ্যে ১২০ নম্বর পাওয়া ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তি করা যাবে এবং ছাত্র/ছাত্রীদের লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বর পেতে হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও একই সিদ্ধান্ত দিয়েছিল।
তবে ওই শর্ত পূরণ না হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়া ১৫৩ শিক্ষার্থীর প্রথম পর্বের (ফার্স্ট প্রফেশনাল এক্সামিনেশেন) রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র আটকে দেয়।
এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ১৫৩ জন হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। ওই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ১৩ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুলসহ অন্তবর্তীকালীন আদেশ দেয়।
হাইকোর্ট রিট আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র দিতে বলে। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লিভ টু আপিল করে, যা বুধবার শুনানির জন্য ওঠে।
আদালতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও এ এফ এম মেসবাহ উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাসুদ রেজা সোবহান ও আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন।supremecourt_45966

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*